কয়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস গুঁড়িয়ে দিল আ’লীগ প্রার্থীর কর্মীরা

কয়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস গুঁড়িয়ে দিল আ’লীগ প্রার্থীর কর্মীরা

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থীর দুটি নির্বাচনী অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া জামিল কণার কর্মীরা। গতকাল সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা পথসভা শেষ করে ফিরে আসার পর পরই কালোয়া বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক জিয়াউল ইসলাম স্বপনের নির্বাচনী অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। জিয়াউল ইসলাম স্বপন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া জামিল কণার আপন দেবর।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, সকালের দিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খানের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগের একটি দল কয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া জামিল কণার সমর্থনে কয়েকটি পথসভায় যোগ দেয়। দুপুরের দিকে কালোয়া বাজারে পথসভা করতে যায় আওয়ামী লীগের নেতারা। আওয়ামী লীগ নেতারা সেখান থেকে চলে আসার পরই পরই সাদিয়া জামিল কণার কর্মীরা বিদ্রোহী প্রার্থী স্বপনের অফিস ভাংচুর করে।
জিয়াউল ইসলাম স্বপন বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা চলে যাওয়ার পর কালোয়া বাজার ও খলিশাদহ এলাকায় আমার দুটি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থকরা হামলা চালিয়ে এ কাজ করেছে। দেবরের অভিযোগ সম্পর্কে ভাবী সাদিয়া জামিল কণা বলেন, আমার কোন কর্মী এ ঘটনায় জড়িত নয়। অভিযোগ ভিত্তিহীন।
তবে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান দাবি করে বলেন, পোষ্টার ছেঁড়া হয়েছে। অফিস ভাঙচুর করা হয়নি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান খান বলেন, অফিস ভাংচুরের বিষয়টি আমার জানা নেই।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও সদর উপজেলায় ২২টি ইউনিয়নে আগামী ৭ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।