তাড়াশের লেখকের বই ভারত উপমহাদেশেও জনপ্রিয়

তাড়াশের লেখকের বই ভারত উপমহাদেশেও জনপ্রিয়

আশরাফুল ইসলাম রনি,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
মো.শহিদুল ইসলাম ১৯৭৭ সালের ১৫ই জানুয়ারী সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মালশিন গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। কর্মজীবনের শুরু অধ্যাপনা দিয়ে। ২৪তম বিসিএস এর মাধ্যমে একটি সরকারি কলেজে তার অধ্যাপনা শুরু । তিনি টাঙ্গাইল কমুদিনী সরকারী কলেজে লেকচারার হিসেবে চাকুরী শুরু করেন। চাকুরীর শুরু থেকেই তিনি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সদস্য পদ লাভ করেন। তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি গ্রন্থ লেখায় মনোযোগী হন। তার প্রকাশিত সমাজকর্ম বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে গ্রন্থ ২২টির অধিক। বিষাক্ত ছোবল নামে তার একটি উপন্যাস ও দুটি কাব্যগ্রন্থও তার রয়েছে। তার লেখা ২২টি পাঠ্যগ্রন্থের মধ্যে সুদুর ভারত উপমহাদেশেও যাচ্ছে ৭টি গ্রন্থ।

tarash-pic-23-10-16-tt

একাধারে তিনি কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি লেখালেখির পাশাপাশির সমাজসেবাতেও নিজেকে জড়িত রেখেছেন। তিনি টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত ‘চোখ’নামক সাহিত্য পত্রিকার নির্বাহী উপদেষ্টা। তার লেখা গ্রন্থগুলোর মধ্যে সমাজকর্ম, সমাজকর্ম পরিচিতি, সামাজিক সমস্যা ও বিশ্লেষণ কৌশল, বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবিতা ও এনজিও, সামাজিক আইন,সমাজ সংস্কার ও সমাজকর্ম, মাঠকর্ম শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনঃ ইস্যু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশে সমাজসেবা কার্যক্রম, সামাজিক প্রশাসন, শিশু,যুব ও প্রবীন কল্যান, নারী ও পরিবার কল্যান, সংশোধন ও সংশোধনমুলক সেবা,সমাজকর্মে নির্দেশনা ও কাউন্সিলিং ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ।

এর মধ্যে ভারতের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব গ্রন্থ শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় যেগুলো হচেছ সমাজকর্মের ইতিহাস ও দর্শন, সমাজকর্ম পরিচিতি, জলবায়ু পরিবর্তন: ইস্যু ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক প্রশাসন, বাংলাদেশে সমাজসেবা কার্যক্রম, শিশু,যুব ও প্রবীন কল্যান, নারী ও পরিবার কল্যান এবং সংশোধন ও সংশোধনমুলক সেবা। উল্লেখ্য মো: শদিুল ইসলমের নিজ গ্রামে বিদ্যুতায়ন, রাস্তাপাকরণসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে রয়েছে অসামান্য অবদান।

লেখক শহিদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ একটি মানবতাবাদী দেশ। সব ধর্মের মানুষ এখানে মিলেমিশে বাস করে আসছে। সকল সাধকই মানবতারই জয়গান করে গেছেন। মাঝখানে মৌলবাদ নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু এখানে সেই গাছটাই বেঁচে থাকবে, যে মানবতার ফল দেয়। অন্যরা হয়তো কিছুটা ঝাঁকুনি দিতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে মানবতারই।