নন্দীগ্রামে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

নন্দীগ্রামে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) থেকে মো: ফজলুর রহমান : বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কৃষকরা এখন সরিষা আবাদে ঝুকেঁ পড়েছে। মাঠকে-মাঠ আশানুরুপ রবি শস্যা এ উপজেলায় চাষ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে উপজেলার শস্যা চাষীরা এবার আর্থিকভাবে লাভবান হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, অন্য যে কোন আবাদের চেয়ে সরিষা চাষে তুলনামুলক খরচ কম এছাড়া এই আবাদে পরিশ্রম কম হয়। উপজেলার সরিষার আবাদ গতবারের চেয়ে এবার বেশী জমিতে সরিষা চাষ করেছে কৃষকরা। এবার চলতি মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৪হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। গতবার সরিষা আবাদ হয়েছিল ৩হাজার ৭০হেক্টর জমিতে। তুলনামুলক এবার ৯শ ৩০হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ বেড়েছে। আলু চাষ হয়েছে ৪হাজার ৩শ ৫০হেক্টর জমিতে। মরিচ চাষ হয়েছে ৫৫হেক্টর জমিতে, রসুন চাষ হয়েছে ১৬হেক্টর জমিতে, গম চাষ হয়েছে ৫হেক্টর জমিতে। উপজেলার চাকলমা গ্রামের সফল কৃষক জামিল হোসেন বলেন, এবার আমি ৭বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। ধান চাষের চেয়ে সরিষা চাষ করা ভাল অল্প পরিশ্রমে বেশী লাভ পাওয়া যায়। তাছাড়া সরিষা ঘরে তুলার পর ওই জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ করা হবে। সরিষার জমিতে ধানের ফলন বেশী হয়। উপজেলার বাদলাশন গ্রামের সরিষা চাষী দুলাল বলেন, নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে জমিতে সরিষার বীজ রোপন করলে বেশী সরিষা ফলনো সম্ভব। সঠিক দামটা পাওয়া যায় বাজারে। আমি এবার ১০বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আবহাওয়া যদি অনূকুলে থাকে তাহলে আমরা এবার সরিষার বেশী ফলনে উপজেলার শীর্ষ স্থানে থাকবো। এপ্রসঙ্গে কৃষি অফিসার মোহাম্মাদ মশিদুল হক জানান, সরিষা চাষীদের যথা সময়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোন প্রকার সরিষার জমিতে রোগ বালাই আক্রোমন করতে না পারে সে দিকে কৃষি বিভাগের নজর রয়েছে। প্রাকৃতিক দৃর্যোগ না হলে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে এই উপজেলায়।