তাড়াশের রোকনপুর মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা তোজাম্মেল বাহিনীর হুমকির মুখে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে

তাড়াশের রোকনপুর মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা তোজাম্মেল বাহিনীর হুমকির মুখে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ

তাড়াশের তালম ইউনিয়নের রোকনপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক,কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীরা তোজাম্মেল বাহিনীর হুমকির মুখে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ওই মাদ্রাসার অবসরে যাওয়া সহকারী শিক্ষক তোজাম্মেল হোসেন ও তার বাহিনী দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের মাদ্রায় না আসার জন্য বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও মারপিটের হুমকি দিয়ে আসছে। গত কয়েক দিন ধরে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ও সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুনীতির প্রতিকার চেয়ে আন্দোলন করে সারা না পেয়ে ওই মাদ্রাসার অবসরে যাওয়া শিক্ষক তোজাম্মেল এসব কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। গত বুধবার আবারও তোজাম্মেল বাহিনী বহিরাগত শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের মাদ্রাসায় না আসার জন্য হুমকি দেয়। শিক্ষকরা আরও বলেন আমাদের হাত পা ভেঙ্গে দেওয়া হবে যদি আমরা তার কথামত না চলি। মোজাম্মেল হোসেন আরও বলেছে এখন থেকে আর মাদ্রায় আসতে পারবেনা। আমি যা বলি তা তোমাদের শুনতে হবে এবং আমার কথা মত চলতে হবে। প্রয়োজনে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তোজাম্মেল বাহিনীর হুমকির মুখে বহিরাগত শিক্ষক, কর্মচারী ও কমলমতি ছাত্রছাত্রীরা আতংকে দিন কাটাচ্ছে। তারা মাদ্রাসার সুপারের কাছে লিখিত ভাবে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছে। তোজাম্মেল বাহিনী কর্তৃক শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের বারবার হুমকি দেওয়া মাদ্রাসায় বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে মিছিল মিটিং ও প্রতিবাদ সভা করা সচেতন মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এদিকে ওই অবসর শিক্ষককের বেতনভাতা ম্যানেজিং কমিটির নির্দেশ ক্রমে সুপার বন্ধ করে দেওয়ায় পাগলা কুকুরের মত খেপে গেছে তোজাম্মেল মাস্টার। তিনি একাই মাইকিং করা, মিছিলের শ্লোগান ধরা দেওয়া ও প্রতিবাদ সভায় একাই বক্তব্য দেওয়া থেকে শুরু করে আবল তাবল বলতে শুরু করেছে। গ্রামের লোকজন তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে তারা জানান। গ্রামবাসি আরও জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে তোজাম্মেল মাস্টারের এত কিছু করা ঠিক হচ্ছে না। এ ব্যাপারে অবসরে যাওয়া সহকারী শিক্ষক তোজাম্মেল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। রোকনপুর মাদ্রাসার সুপার দলিলুর রহমান মুক্তা জানান, গত ১৪মে মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীরা নিরাপত্তা চেয়ে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমি বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও সকল সদস্যদের অবহিত করছি। তাদের পরামর্শ ক্রমেই প্রশাসনের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।