টেস্ট-ওয়ানডেতে আলাদা কোচ নিয়োগের : কারস্টেনের

টেস্ট-ওয়ানডেতে আলাদা কোচ নিয়োগের : কারস্টেনের

খেলা ডেস্ক ঃ 

চন্ডিকা হাথুরুসিংহের বিদায়ের ছয় মাস পার হলেও জাতীয় দলের জন্য একজন যোগ্য প্রধান কোচ খুঁজে পাচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শেষমেশ দক্ষিণ আফ্রিকান গ্যারি কারস্টেনের স্মরণাপন্ন হয়েছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি। টাইগারদের কোচ নিয়োগের ব্যপারে সহযোগিতা করতে দুই দিন আগেই ঢাকায় এসেছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী এই আফ্রিকান কোচ।এরইমধ্যে কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড়, স্থানীয় কোচ, নির্বাচক ও বিসিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন গ্যারি কারস্টেন। সবার সঙ্গে আলোচনা করে সাকিব-মাশরাফিদের জন্য টেস্ট-ওয়ানডে ফরম্যাটে আলাদা কোচের পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক এই প্রোটিয়া ওপেনার। মঙ্গলবার (২২ মে) বেক্সিমকো অফিসে কারস্টেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান।  দেশের ক্রিকেটের এই অভিভাবক বলেন, ‘কারস্টেন মনে করেন, টেস্ট এবং ওয়ানডে ফরম্যাটের জন্য আলাদা কোচ নিয়োগ দেয়া উচিত। টেস্ট ক্রিকেটকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ব্যাটিং কোচ নিয়োগেরও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি প্রধান কোচের অধীনে তিন ফরম্যাটের জন্যই আলাদা ব্যাটিং পরামর্শক নিতে বলেছেন। এ নিয়ে দেশে ফিরে যাওয়ার পর পুরোদমে কাজ শুরু করবেন কারস্টেন। এরইমধ্যে কয়েকজন কোচ হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাদের ইন্টারভিউ নেবেন কারস্টেন।’নতুন কোচ খুঁজতে গিয়ে বড় সমস্যায় পড়েছে বিসিবি। কারণ, বর্তমানে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের যুগে হাই প্রোফাইল কোচেরা কোনো দেশের জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে তেমন আগ্রহী না। কারণ, মাত্র দুই মাসে তারা যা আয় করেন, তা কোনো দেশের জাতীয় দল এক বছরে দেবে কিনা তা নিয়ে ঘোর সন্দেহ আছে।এ প্রসঙ্গে নাজমুল হাসান বলেন, ‘আমরা যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের কেউই টেস্টে কোচ হতে রাজি নন। তবে কেউ কেউ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে ফুলটাইম কোচ হিসেবে থাকতে রাজি। টি-টোয়েন্টি আসার পর ব্যাটসম্যানদের মানসিকতায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তাই কারস্টেন মনে করছেন সাদা এবং লাল বলের ক্রিকেটের জন্য আলাদা কোচ হলে ভালো হয়। এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’