তাড়াশে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মানে অবাদে গাছ নিধন

তাড়াশে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মানে অবাদে গাছ নিধন

লুৎফর রহমান, তাড়াশ(সিরাজঞ্জ) সংবাদদাতা :

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি- ১ তাড়াশ জোনাল অফিস ও সরকার দলীয় লোক জনের যোগসাজসে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের লাইন নির্মানে নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অবাদে নিধন করছে রাস্তার পাশে বেড়ে ওঠা ইউক্যালিপটাস সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃহস্পতি বার উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের গুড়ঁপিপুল গ্রামে বিদ্যুৎ সঞ্চালানের লাইন নির্মানে সরকারী রাস্তার পাশে বেড়ে ওঠা ৬৪ টি ইউক্যালিপটাস গাছ নিধন করা হয়েছে। গাছের ডাল-পালা ছাটা ও প্রয়োজনে গাছের আগা কাটার নিয়ম থাকলেও তা না মেনে গাছ গুলো মাটি সমান করে গোড়া কাটা হচ্ছে। এতে সরকারের এক সম্পদ ব্যবহার করতে গিয়ে আরেকটি সম্পদ সমূলে ধ্বংস করা হচ্ছে। তাড়াশ জোনাল অফিসের আওতায় গুল্টাবাজার বিদ্যুৎ সাব অফিসের ইন-চার্জ মোস্তাফিজুর ওই গাছ গুলো কাটার নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে গুল্টাবাজার পল্লীবিদ্যুৎ সাব- অফিস ইন-চার্জ মোস্তাফিজুর দাম্বিকতার সাথে বলেন, বিদ্যুতের লাইন নির্মান করতে যা খুশি তাই করবো, এতে কারোর দেখার নেই। তিনি আরো বলেন, ইউএনও স্যার গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে, তাই কাটছি।
রায়গঞ্জ রেঞ্জের বন পাহাদার ও তাড়াশ কেন্দ্রিয় নার্সারী তদারককারী মোসলেম উদ্দিন বলেন, ওই কর্তনকৃত গাছ গুলো আমার আয়ত্বের বাইরে। এ গুলো স্থায়ীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউএনও স্যার দেখবেন।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দেশীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বিদ্যুতের লাইন নির্মানে গাছ যতটুকু কাটা দরকার ততোটুকুই কাটবে, গাছের গোড়া কাটার তো কথা নয়। তবে কর্তনকৃত গাছ গুলো আমার হেফাজতে থাকবে।
তাড়াশ জোনাল অফিসের ডিজিএম কামরুল হাসান বলেন, বিপদ জনক অবস্থা ছাড়া গাছের গোড়া কাটা যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফেরদৌস ইসলাম বলেন, বিদ্যুতের লাইন নির্মানে গাছের ডাল-পালা ছাটা এবং বিপদ জনক স্থান ছাড়া গাছের গোড়া কাটা যাবে না। তবে কর্তনকৃত গাছ গুলো স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের হেফাজতে রাখা আছে। নিলাম কমিটির মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।