ময়মনসিংহে ঈদের দিনেও কর্মব্যস্ত ছিলেন যারা

ময়মনসিংহে ঈদের দিনেও কর্মব্যস্ত ছিলেন যারা

- in সারাদেশ
33

আব্দুল মান্নান পল্টন,ময়মনসিংহ ব্যুরো,

ঐক্যর বন্ধন, মহামিলন ও অনাবিল আনন্দের সাথে প্রবিত্র ঈদুল ফিতর উৎসব পালনের মোসলমানদের চিরচারিত প্রথা। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির সেই চিরচারিত প্রথা ও উৎসবকে বিসর্জন দিয়েছেন অনেকেই। ঈদের নামাজ চলাকালিন সময়ে নিরাপত্বার দায়িত্বে থাকা পুলিশ অস্ত্র হাতে নিয়ে ঈদগাহ মাঠের চার দিক ঘিরে রেখেছেন। ঈদগাহ মাঠের আশ পাশ এলাকাসহ গুটা শহরে টহল দিয়েছেন। কঠিন এ বাস্তব যে বড় কষ্টের, বড় নির্মম।
আবার কর্মস্থলে কর্মমুখর থেকেই মোসলমানদের সার্বজনীন এই উৎসবে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন তারা।
শনিবার সকালে ঈদের নামাজ শেষ করেই জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশকে নগরীর সর্বত্রই টহল দিতে দেখা গেছে।
ডিবি পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান জানান জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেরেছি। জেলার কোথাও চুরি ডাকাতি ছিনতাই হয়নি। ময়মনসিংহের ইতিহাসে এটি রেকর্ড’। এমন রেকর্ড করতে পেরে খুবই ভাল লাগছে। ময়মনসিংহের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পুলিশের নিয়ন্ত্রনে ছিল। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজিরবিহীন নিরাপত্তায় শস্তিরসাথে ঈদ উৎসব করেছে পালন করেছে ময়মনসিংহবাসী। এদিকে ময়মনসিংহ ঢাকা মহাসড়কের উপর ভালুকা মাস্টারবাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ ৬৫ কিলোমিটার ৩শতাধিক ও নগরিতে ৫০টি সিসি ক্যামেরা বসিয়ে নতুন ইতিহাস রচনা করেছেন জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। ক্যামেরা স্থাপনের বৌদলতে আইন শঙ্খলা পরিস্থিতি প্রায় শতভাগ নিয়ন্ত্রনে এসেছে।
কর্মগুনে আলো ছড়ানো ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ খান দায়িত্ব কর্তব্যর তাগিদে ঈদের দিনটিও কাটিয়েছেন চির চেনা নিজ কর্মস্থলে।
ঈদের নামাজ আদায় শেষে বাসা থেকে নাস্তা খেয়েই বোিড়য়ে পড়েছিলেন সড়ক মনিটরিংয়ের কাজে। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ করতে পারেননি ক্লিনম্যান খ্যত সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ খান।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসসহ ময়মনসিংহ মেডিকেলে কর্মরত ডাক্টার নার্সরাও ২৪ ঘণ্টায় দায়িত্ব পালনে সক্রিয় ছিলেন।