নেইমারের সমালোচনা

নেইমারের সমালোচনা

তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলের বড় ও একমাত্র তারকা ছিলো নেইমার। তার উপর দলের সাফল্য নির্ভর করছিলো। কিন্তু নিজেকে মেলে ধরতে পারেনি নেইমার। তাই ব্রাজিলকেও বিশ্বকাপ থেকে খালি হাতে ফিরতে হলো।’

দেশের হয়ে চার বার বিশ্বকাপ খেলেছেন রোনাল্ডো। এরমধ্যে দু’বার ব্রাজিলের হয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবার স্বাদ নিয়েছেন তিনি। ব্রাজিলের হয়ে ৯৮ ম্যাচে ৬২ গোলও করেছেন রোনাল্ডো। তাই ব্রাজিল ফুটবলের কিংবদন্তি বলা হয় রোনাল্ডোকে। তবে এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের খেলা মন ভরাতে পারেনি। ব্রাজিল ভালো করতে না পারার পেছনে নেইমার দায়ী বলেও মন্তব্য করেন রোনাল্ডো।

তিনি বলেন, ‘নেইমারের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা আরও অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সে আমাদের হতাশ করেছে। কোয়ার্টারফাইনালে উঠলেও কোন ম্যাচের পারফরমেন্স ভালো ছিল না ব্রাজিলের।’

ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়েই মে মাসে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ক্যাম্পে যোগ দেন নেইমার। এরপর বিশ্বকাপে পাঁচটি ম্যাচও খেলেন তিনি। নেইমারের পারফরমেন্সে খুশী ছিলেন দলের কোচ তিতে।

তিনি বলেছিলেন, ‘ইনজুরি থেকে ফিরে এত তাড়াতাড়ি নিজেকে নেইমার মেলে ধরতে পারবে, সেটি আমাদের ধারণার মধ্যে ছিলো না।’এবারের আসরে ৫ ম্যাচে মাত্র ২ গোল করেন নেইমার। দলের মূল তারকার এমন পারফরমেন্সে কোচ খুশী হলেও, রোনাল্ডোর মন ভরেনি।

তিনি বলেন, ‘জানি না পায়ে অস্ত্রোপচার নাকি অন্য কোন কারণে পারফরমেন্স করতে পারল না সে। যে কারণেই হোক রাশিয়ায় সে নিজেকে আটকে রেখেছিল। যা নেইমারের সাথে যায় না।’নেইমারের সমালোচনা করলেও, তাকে নিয়ে আশাবাদী রোনাল্ডো।

ভবিষ্যতে নেইমার জ্বলে উঠবেন এমন প্রত্যাশায় রোনাল্ডো বলেন, ‘তার বয়স অনেক কম। সামনে অফুরন্ত সময় পড়ে আছে। ভবিষ্যতে সে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারবে।’এবারের বিশ্বকাপে অভিনেতা হিসেবেও নিজেকে পরিচিত করেছেন নেইমার। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা তাকে আটকাতে গেলেই মাটিতে পড়ে যাচ্ছেন তিনি। এমনটা বিশ্ব মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

তবে এ ব্যাপারে নেইমারের পাশে দাড়ালেন রোনাল্ডো, ‘পাঁচ বছর আগে নেইমারের সাথে আমার কথা হয়। তখন সে বলেছিল, ডিফেন্ডারদের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে এ ভাবেই ডাইভ দেয় সে। এটাই তার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। মাঝে মাঝে কঠিন ট্যাকেল হয়। আমার নিজের ক্ষেত্রেও এ রকম অনেক হয়েছে। নেইমারের বেলাতেও এমন ঘটেছে দেখেছি আমি।’