নানিয়ারচর উপজেলাসহ পাহাড়ি পল্লীগুলোতে হাঁড়কাপানো শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি

নানিয়ারচর উপজেলাসহ পাহাড়ি পল্লীগুলোতে হাঁড়কাপানো শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি

মোঃ কবির হোসেন, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ 
নানিয়ারচর উপজেলাসহ পাহাড়ি পল্লীগুলোতে হাঁড়কাপানো শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনের বেলাও আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা যায়। সারাদেশের ন্যায় রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি পল্লীগুলোতে শৈত্যপ্রবাহ চলছে।

বিপর্যস্ত জন-জীবনে হাঁড় কাঁপানো শীতে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজন কাজে যেতে পারছেনা। দুর্গম পাহাড়ি পল্লীগুলোতে বেলা বারটা পর্যন্ত সূর্যের কোন দেখা মিলেনা। পাহাড়ি জন-জীবনে শৈত্যপ্রবাহের ফলে খেটে খাওয়া মানুষের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি শিশু ও বয়োবৃদ্ধ লোকদের ঠাণ্ডাজনিত কারণে হাঁপানী, কাশিসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

এদিকে ইসলাপুর এলাকার আনারস কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান, সাধারন সম্পাদক মোঃমিজান, তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক
মোঃকবির হোসেন জানান, শীতের কারণে ঘর থেকে বাহির হতে পারছিনা। কাজে কর্মে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই দিনের বেলাও গাছের গুড়া জ্বালিয়ে আগুন নিবারণ করছি।

এছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃশাহিন বলেন, দোকানে বসেও কাজ কর্ম করতে বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে, কোন কাজ করতে পারছিনা। ইসলাম পুরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লোকজন রাত আটটা থেকে নয়টার মধ্যে দোকান পাঠ বন্ধ করে দিচ্ছে। এদিকে শীতে প্রশাসনের পক্ষ হতে কোন কোন এলাকায় কিছু শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও ইসলামপুর গ্রামে ও পাহাড়ি পল্লীগুলোতে এর কোন ছোঁয়া মিলছে না বলে স্থানীয় লোকজন জানান

এনজিওসহ বিভিন্ন  প্রতিষ্ঠান থেকে বর্তমান সময়ে শীত বস্ত্র পাওয়া গেলে অসহায় শীতার্ত লোকজন শৈত্যপ্রবাহ থেকে রক্ষা পেত বলে অনেকে মনে করেন।