বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বেরোবিতে নীলদলের সেমিনার অনুষ্ঠিত 

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বেরোবিতে নীলদলের সেমিনার অনুষ্ঠিত 

এইচ. এম নুর আলম, বেরোবি প্রতিনিধিঃ
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চেতনা, আদর্শ ও মূল্যবোধে উজ্জীবিত শিক্ষকবৃন্দের সংগঠন নীল দলের উদ্যোগে ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টায় বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়, রংপুর এর হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের গ্যালারিতেসেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ^বিদ্যালেেয়র উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আশান উজ জামান এর সঞ্চালনায় ও নীল দলের সভাপতি ড. শফিক আশরাফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ারুল আজিম এবং প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নিত্য ঘোষ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম রব্বানী, লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জুবায়ের ইবনে তাহের, বেরোবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান নোবেল শেখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নীল দলের সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ।
প্রাবন্ধিক ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অন্যতম আনন্দঘন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন। এ দিনটি ৭ মার্চের মতোই একটি ইতিহাস। ঐতিহাসিক ৭ মার্চে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়, ১৬ ডিসেম্বরে বিজয় অর্জিত হয় আর ১০ জানুয়ারি স্বাধীন দেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে সে বিজয় পগ ব্যবস্থা, শিক্ষা খাত, কৃষি, অর্থনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, বৈদেশি সম্পর্ক উন্নয়নসহ সকল ক্ষেত্রেই সাফল্য এনে দিয়েছেন। তাঁর দেখানো পথে অগ্রসর হয়েই বর্তমান সরকার আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে ড. শফিক আশরাফ সেমিনারে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী, রিপূর্ণতা পায়। বক্তারা বলেন যে, মুক্তিযুদ্ধের পূর্ববর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু যেমন বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তেমনি স্বদেশ প্রত্যার্তনের পর মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময়ে দেশ বিনির্মাণে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। শুন্য থেকে শুরু করে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের যোগাযোকর্মকর্তাসহ সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সেমিনার সমাপ্ত ঘোষণা করেন।