জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের তাড়াশে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাবেক সেনা সদস্যকে হয়রানীর অভিযোগ

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের তাড়াশে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাবেক সেনা সদস্যকে হয়রানীর অভিযোগ

আশরাফুল ইসলাম রনি:
জমিজমা বিরোধের জের ধরে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সাবেক সেনা সদস্যসহ ও তার পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য সিরাজুল ইসলাম জানান, একই গ্রামের মৃত. এন্তাজ আলীর সাত ছেলের নিকট থেকে ১৯৯৮ইং থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এক একর ছয়চল্লিশ শতক জমি ক্রয় করেন। খতিয়ানে জমির পরিমান সাত একর একান্ন শতক। এরই জের ধরে এন্তাজ আলীর ছেলে চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী, একাধিক চুরি ও ডাকাতির মামলায় অভিযুক্ত মামলাবাজ মাহতাব হোসেন সেই জমি দাবী করে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। যা আদালতে বা থানা পুলিশ কখনো তদন্ত করে সত্যতা পাননি।
তিনি আরো বলেন, গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ফের হয়রানী করার জন্য মামলাবাজ মাহতাব হোসেন আদালতে গিয়ে মিথ্যা ডাকাতি সাজিয়ে আমার পরিবার ও আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
২০ ডিসেম্বর আদালতে দায়ের করা মিথ্যা মামলার এক নম্বর স্বাক্ষী একই গ্রামের মো. ফরমান তালুকদারের ছেলে খেজুর আলী জানান, মামলাটি সর্ম্পুন মিথ্যা ও বানোয়াট। বাদী মাহতাব হোসেন আমার চাচা। সে আমাকে অবগত না করেই মামলায় স্বাক্ষী করেছেন। ডাকাতি বা কোন ঘটনাই ঘটেনি। গ্রাম্য প্রধান মোজাহার আলী সরদার বলেন, জমিজমা বিরোধের জের ধরেই একাধিক চুরি ও ডাকাতি মামলার আসামী মাহাতাব হোসেন জমিক্রয়কারী সিরাজুল ইসলাম ও তার ছেলে জাকির হোসেন, নুর আলম ও দোকানের কর্মচারী আপেল মাহমুদকে আসামী করে মিথ্যা ডাকাতি মামলা দায়ের করেছে। মাহতাব হোসেন এর অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ট হয়ে পড়ছে। তার বিরুদ্ধে গত ২০১২ সালে একই গ্রামের মহব্বত আলী গংদের ঘর পোড়ানো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার জন্য গ্রাম্য শালিশে ও থানা পুলিশের তদন্তে মিথ্যা ও ভুয়া প্রমানিত হয়।
এ বিষয়ে গ্রামবাসীদের পক্ষে তিনি অবিলম্বে মামলাবাজ মাহতাব হোসেনের শাস্তি দাবী করেছেন।
মিথ্যা মামলাবাজ মাহতাব হোসেন এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।