ডিমলায় শীতার্ত মানুষের পাঁশে দাঁড়ালেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষক শহিদুল ইসলাম

ডিমলায় শীতার্ত মানুষের পাঁশে দাঁড়ালেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষক শহিদুল ইসলাম

মো: জাহাঙ্গীর আলম রেজা, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় এবার নিজস্ব উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের পাঁশে দাঁড়িয়ে অসহায় দিনমজুর ও ভ্যান চালকদের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে দেরশতাধিক শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেন স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও উত্তর ডালিয়া শিশু কল্যাণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম। ১৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে খাঁলিশা চাঁপানী ইউনিয়নের (গোডাউনের হাট) ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ কেন্দ্র মাঠে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ৭ নং খালিশা চাপানী ৩ নং ওযার্ড শাখার সহযোগীতায় স্থানীয় ১’শ ৫০ জন দু:স্থ ভ্যান চালকের মাঝে এসব শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণকালে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ইউ.পি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, বীরমুক্তিযোদ্ধা সহিদার রহমান ভেদু, বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্চাসেবক লীগ উপজেলা শাখা এ, এইচ, এম ফিরোজ সরকার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডিমলা উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রেজা প্রমূখ। সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও প্রধান শিক্ষকের এ মহতী উদ্যোগের সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। তারা বলেন গ্রামে গঞ্জে আদর্শ শিক্ষক শহিদুল ইসলামের মতো করে বিত্তবান মানুষেরা যদি শীতার্ত মানুষের পাঁশে দাঁড়াতো তাহলে হয়ত ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষকে ত্রানের কম্বলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। এ সময় বীরমুক্তিযোদ্ধা সহিদার রহমান ভেদু বলেন, প্রতিটি বিত্তবান মানুষের উচিত এভাবেই অসহায় মানুষের পাঁশে দাঁড়ানো। শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, মানুষের জন্য সামান্য কিছু করতে পারা এটা ভাগ্যের ব্যাপার। আমি শীতার্ত মানুষের জন্য সামান্য কিছু করতে পেরে অনেক খুশি। সৃষ্টিকর্তা যেন এভাবেই মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর তৌফিক দান করেন এই দোয়াই চাই আমি দু:স্থ শীতার্ত মানুষের কাছে। প্রসঙ্গত,প্রধান শিক্ষকের এ মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাজমুন নাহার। তিনি বলেন, সরকারের পাঁশাপাঁশি এসব ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষের পাঁশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ফেসবুকে স্টাটাস দিয়েছিলাম। আহবানে সাড়া দিয়ে প্রধান শিক্ষক ও সমাজ সেবকের এ উদ্যোগ সত্যি প্রশংসার যোগ্য। আমি এ উপজেলায় আরো অনেক বিত্তবানোর রয়েছেন তাদেরকেও এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।