পুলিশের বর্ষসেরা ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান

পুলিশের বর্ষসেরা ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান

ক্রীড়া  ডেস্ক   ঃ    কৃতি খেলোয়াড়দের সম্মাননা জানাল বাংলাদেশ পুলিশ ক্রীড়া পরিষদ। ‘বাংলাদেশ পুলিশ স্পোর্টস ইভিনিং-২০১৭’ শিরোনামে সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে এই সম্মাননা জানানো হয়।

বর্ষসেরা খেলোয়াড় (পুরুষ) নির্বাচিত হয়েছেন নায়েক মো. দ্বীন ইসলাম মৈশান। তিনি ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘১৮তম মাইলো ওপেন আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতা-২০১৭’ এ ১টি স্বর্ণ এবং ২টি রৌপ্য পদক এবং ‘৩য় আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত কারাতে প্রতিযোগিতা-২০১৭’ এ ২টি স্বর্ণ পদক লাভ করেন। জাতীয় পর্যায়ে মৈশান ‘মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা-২০১৭’ এ ২টি স্বর্ণ পদক লাভের গৌরব অর্জন করেন।

বর্ষসেরা খেলোয়াড় (নারী) যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন কনস্টেবল লতা পারভীন এবং এএসআই (নিরস্ত্র) আকলিমা আক্তার। লতা পারভীন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘৩য় আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত কারাতে প্রতিযোগিতা-২০১৭’ এ ১টি স্বর্ণ পদক লাভ করেন। এএসআই আকলিমা আক্তার জাতীয় পর্যায়ে ‘ওরিয়েন্টাল কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০১৭’ এ ১টি স্বর্ণ পদক এবং ‘মহান স্বাধীনতা দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০১৭’ এ ১টি রৌপ্য পদক লাভ করেন।

বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাবের ইভেন্টে কৃতিত্ব অর্জন করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ক্রীড়া ক্ষেত্রে ‘বর্ষসেরা ইউনিট’ নির্বাচিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সর্বমোট ১৪টি ক্লাব/পরিষদের চ্যাম্পিয়নশিপের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে একক, দ্বৈত ও দলীয় ইভেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী ১০৯ জন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ১১ জন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রে ৩১ জনসহ বিভিন্ন ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ দলকে পুরস্কৃত করা হয়।

কৃতি খেলোয়াড়গণ প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথির কাছ থেকে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও পুরস্কার গ্রহণ করেন। পরে বিশিষ্ট শিল্পীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম, পিপিএম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সভানেত্রী বেগম শামসুন্নাহার রহমান।

খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে আইজিপি বলেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ভিশন থাকতে হবে, যে আমি জাতীয় পর্যায়ে বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলে স্বর্ণ না হয় রোপ্য পাবো। এবার যে রোপ্য অর্জন করছে আগামীতে সে স্বর্ণ পাবে; এবার যে ব্রোঞ্জ পেয়েছে আগামীতে সে রোপ্য পাবে। এ ধরনের একটি ভিশন থাকতে হবে। সে ভিশনকে সামনে রেখেই নিজেকে তৈরি করতে হবে।