কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ 
কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতার সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে ঘণ্টা বাজিয়ে বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত অভিনেতা, নাট্যব্যক্তিত্ব, আবৃত্তিকার, পদ্মভূষণসহ রাষ্ট্রীয় সম্মান দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার পাওয়া সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জেইগলার, পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল সেন, জ্যোতির্ময় মল্লিক প্রমুখ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বই আমাদের মনের জানালা, হৃদয়ের জানালা। শিক্ষার আলো, সভ্যতার আলো, সংস্কৃতির আলো বইকে বাদ দিয়ে পৃথিবী বাঁচতে পারে না। বই নিয়ে আমরা বেঁচে আছি, বই নিয়ে আমরা বেঁচে থাকব।’সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বাংলার বইমেলা আমাদের গর্বের বইমেলা ।

বই ছাড়া আমরা ভাবতে পারি না। আপনারা আসুন এই বইমেলায়। সার্থক করে তুলুন বইমেলাকে।’আন্তর্জাতিক এই বইমেলা চলবে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের বইমেলার থিম কান্ট্রি ফ্রান্স। ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের ৭০ বছর উপলক্ষে এবার বইমেলায় আয়োজন করা হচ্ছে দুই দেশের নানা অনুষ্ঠানের। ৩ ফেব্রুয়ারি কলকাতা বইমেলায় উদ্‌যাপিত হবে বাংলাদেশ দিবস।এবারের বইমেলার আসর বসছে কলকাতার সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে। মিলনমেলা ময়দানে সংস্কারের কাজ চলায় সেখানে আর এবার বইমেলা হচ্ছে না। এবারের বইমেলায় দেশ বিদেশের ৭৮০টি প্রকাশনা সংস্থা যোগ দিচ্ছে।বাংলাদেশ থেকে যোগ দিচ্ছে ৪২টি প্রকাশনা সংস্থা। ৩ হাজার ২০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে ঢাকার আহসান মঞ্জিলের ধাঁচে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যসহ এবার বিশ্বের ২৯টি দেশ বইমেলায় অংশ নেবে।এবার কলকাতা বইমেলা ৪২ বছরে পা দিচ্ছে। শুরু হয়েছিল ১৯৭৬ সালে। এই মেলা এর আগে কলকাতা ময়দানে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৯ সালে তা পরিবর্তন করে সায়েন্স সিটির সামনে মিলনমেলা ময়দানে স্থানান্তর করা হয়।