দুই খেলোয়াড়ের জন্য পাঁচ কোচিং স্টাফ!

দুই খেলোয়াড়ের জন্য পাঁচ কোচিং স্টাফ!

খেলা ডেস্কঃ 
আজ অনুশীলনটা ছিল ঐচ্ছিক। শ্রীলঙ্কার বেশির ভাগ খেলোয়াড় শুয়ে-বসেই কাটিয়েছেন হোটেলে। বিসিবি একাডেমি মাঠে অনুশীলন করতে এলেন মাত্র দুজন। দুই খেলোয়াড়ের চেয়ে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে যেন বেশি পরিশ্রম করলেন! অনুশীলন শেষে দুপুরে বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা কুশল জানতে চাইলে হাথুরুর মুখে হাসি, ‘ভালো আছি, আরামে আছি।’আরামে আছেন মানে! শ্রীলঙ্কার জয়ের সুবাস পেয়েও সেটি মুঠোয় পুরতে পারেননি। শেষ দিনে অসাধারণ ব্যাটিং করে হাথুরুর মুখের হাসিটা কেড়ে নিয়ে চট্টগ্রাম টেস্টে জয়ের সমান ড্র পেয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে মুমিনুল হক। বাঁহাতি এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং-বীরত্ব দেখে কতটা মুগ্ধ, টিম বাস ধরার আগে জানতে চাওয়া হলো হাথুরুর কাছে। ধীর পায়ে এগোতে থাকা শ্রীলঙ্কান কোচ মৃদু স্বরে বললেন, ‘ম্যাচে দুই শর বেশি রান করেছে, কেমন খেলেছে সেটি তো দেখেছেনই।’তাঁর কাছে কেন মুমিনুলের পারফরম্যান্স আলাদা করে জিজ্ঞেস করা, হাথুরু ভালোভাবেই সেটা জানেন। বাংলাদেশ দলের কোচ থাকার সময় বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে নিয়ে তাঁর বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো গত কিছুদিনে ঘুরেফিরে এসেছে। একেকটা অর্জনে মুমিনুল শুধু দুঃসময়কে পেছনে ফেলেননি, হাথুরুর মুখের হাসিটাও কেড়ে নিয়েছেন! শ্রীলঙ্কার জয়ের সামনে সবচেয়ে বড় দেয়ালটা যে ‘মিনি’ মুমিনুলই তুলতে পেরেছেন। গড়েছেন এক টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড, গড়েছেন প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির রেকর্ড।মুমিনুলের রেকর্ডের কথা মনে করিয়ে দিতেই হাথুরুর উত্তর, ‘আমি রেকর্ড-টেকর্ড নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমার কাছে ফলই সব। আপনি জিতলেন, হারলেন না কি ড্র করলেন সেটাই হচ্ছে ব্যাপার।’