সবার সমান আর্থিক পুরস্কার চেয়েছেনঃদ্রাবিড়

 সবার সমান আর্থিক পুরস্কার চেয়েছেনঃদ্রাবিড়

খেলা ডেস্কঃ 
১.অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতায় যদিও তিনিই সবচেয়ে বেশি আর্থিক পুরস্কার পাচ্ছেন ।
২.কোচিং স্টাফকে ২০ লাখ ও খেলোয়াড়দের ৩০ লাখ রুপি পুরস্কার দেবে বিসিসিআই।   
রাহুল দ্রাবিড় মাঠের ভেতরে কিংবা বাইরে সব সময়ই নিপাট ভদ্রলোক। ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতলেও এ দিয়ে তাঁর মধ্যে অতিরিক্ত কোনো উচ্ছ্বাস নেই। অথচ বিশ্লেষকদের মতে, দ্রাবিড় ভারতের যুব বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্য কারিগর তিনিই। খেলোয়াড়ি জীবনে ‘দ্য ওয়াল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন শুদ্ধ ব্যাটিংয়ের প্রয়োগ ঘটিয়ে। ভারতের যুব ক্রিকেটারদের সেই শুদ্ধ ক্রিকেটটাই শেখাতে চেয়েছেন। ভিত্তিটাকে মজবুত করতে চেয়েছেন, যেন ভবিষ্যৎটা আলোকিত হয় তাঁদের। তবে যুব বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্বটা সবার মধ্যেই ভাগ করে দিয়েছেন। বলেছেন, এটা সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল।দ্রাবিড়ের ভাবনাটা যখন এমন, ঠিক তখনই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) দেওয়া অর্থ পুরস্কারে ‘অসাম্য’ তাঁকে পীড়া দিচ্ছে। নিউজিল্যান্ডে যুব বিশ্বকাপ জেতার পুরস্কার হিসেবে বিসিসিআই খেলোয়াড়দের ৩০ লাখ আর কোচিং স্টাফদের ২০ লাখ রুপি করে দিচ্ছে। যদিও দ্রাবিড়ের পাওয়া অঙ্কটা আরও বেশি—৫০ লাখ। তারপরেও তাঁর ক্ষোভ কোচিং সহযোগীদের পুরস্কারের অর্থ কম হওয়ায়।‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানিয়েছে, বাকি কোচিং স্টাফদের তুলনায় অনেক বেশি অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার পেয়ে দ্রাবিড় বেশ অখুশি। সংবাদমাধ্যমকে বিসিসিআইয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, সবাইকে সমান আর্থিক পুরস্কার দিতে দ্রাবিড় নাকি বোর্ডকে অনুরোধ করেছেন। খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের মধ্যে তিনি কোনো ধরনের বৈষম্য চান না। বোর্ডকে সাফ জানিয়েছেন, খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফ ‘একটা দল’ হিসেবে কাজ করেছে। তাঁর কাছে শিরোপা জয়ে সবার অবদানই সমান।ভারতের হয়ে ১৬৪ টেস্টে ১৩ হাজারের ওপরে রান করা সাবেক এ ব্যাটসম্যান গতকাল সংবাদকর্মীদের একটি ভুলও ভাঙিয়েছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ২০৩ রানে উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের নাদিম খান এর আগে জানান, ম্যাচ শেষে দ্রাবিড় নাকি অভিবাদন জানাতে তাঁদের ড্রেসিং রুমে গিয়েছিলেন। কিন্তু গতকালের সংবাদ সম্মেলনে দ্রাবিড় নিজেই বলেছেন, ‘আমি তাঁদের ড্রেসিং রুমে যাইনি।