কুমিল্লায় খালেদার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

কুমিল্লায় খালেদার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

মো:রবিউল আলম, (কুমিল্লা প্রতিনিধি)
জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের নামে টাকা আত্মসাতের মামলার রায় ঘোষণা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। দেশব্যাপী আলোচিত এ রায়কে ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতেও। কুমিল্লার সাধারণ মানুষও চায় এতিমের টাকা আত্মসাৎকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। এ মামলার আসামী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী সম্বলিত পোষ্টা ও লিফলেটে ইতিমধ্যেই ছেয়ে গেছে কুমিল্লার সর্বত্র।পোস্টার ও লিফলেটগুলোতে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টে দুর্নীতি মামলার বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করে খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চশাস্তি দাবী করা হয়েছে।এদিকে রায় প্রসঙ্গে মঙ্গলবার কুমিল্লা দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এমপি বলেন,খালেদা জিয়ার মামলার রায় ঘোষণার দিন বিএনপি যদি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে তাহলে তা প্রতিহত করা হবে।কুমিল্লা দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, রেলপথ মন্ত্রী মজিবুল হক এমপি বলেন, ২০১৪ সালে বিএনপির নাশকতাযেভাবে জনগণ প্রতিহত করেছে ঠিক সেই ভাবেই ৮ ফেব্রুয়ারি কিংবা নির্বাচনের আগে বিএনপির যেকোনো নাশকতা জনগণ প্রতিহত করবে।অপরদিকে রায়ের দিন কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড়ে পুবালী চত্বর দখলে রাখবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। তিনি নেতাকর্মীদের বলেছেন এ দিনপূবালী চত্বরে থাকতে হবে।রায়কে ঘিয়ে কুমিল্লার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও। যে কোন বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপনিতে প্রস্তুত রয়েছে তারা।উল্লেখ্য, জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টে দুর্নীতি মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এই মামলাকরে দুদক। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। অভিযোগে বলা হয়, এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করেছেন এ মামলার আসামিরা।মামলা হওয়ার পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ খালেদাসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪০৯ এবং দুদক আইনের ৫ (২) ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।