তাড়াশে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসটি চলছে খুড়িয়ে

তাড়াশে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসটি চলছে খুড়িয়ে

মহসীন আলী : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসটি চলছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। জনবল কাঠামো ৫ জনের স্থলে কর্মরত আছে ৩ জন, তা আবার অনিয়মিত।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি আশির দশকে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্নে ১৭৫ টি লাইন সংযোগ ছিল। বর্তমানে সংযোগ চালু রয়েছে মাত্র ৫০ টির মতো।এর মধ্যে ব্যক্তিগত রয়েছে ৫ টি, তা আবার বিকল অবস্থায় পড়ে আছে।
লোকবল সংকট,অব্যবস্থাপনা, টেলিফোন বিভাগের স্থাণীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবহেলা, দিনের পর দিন সংযোগ বিকল থাকা, এ সব কারণে সরকারের লাভজনক প্রতিষ্ঠান চলছে খুড়িয়ে খড়িয়ে। ফলে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টেলিফোন এক্সচেঞ্জটির এলাকায় নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকার কারণে গোচারণ ভুমিতে পরিনত হয়েছে। গরু -ছাগল চড়ে বেড়াচ্ছে অবাদে। ভবনের ভিতরে ক্যাবল জয়েন্ট (চলতি) আব্দুল আজিজ বসে আছেন। তার সামনে ২ টি হাতল ছাড়া চেয়ার, ১ টি ভাঙ্গা টেবিল,তার উপর রাখা আছে ৩ টি বিকল টেলিফোন সেট ও একটি পুরাতন ময়লা ধরা রেজিষ্টার। ওয়াস রুমের অবস্থা অত্যন্ত লাজুক। ছাদের পলেস্টার ফেটে খুলে খসে পড়ছে। ভবণের ক্যাচি গেটটিও নড়বরে। রাত্রি হলেই মাদক সেবিদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয় এলাকাটি।
খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে, জনবল সংকটের কারণে যে সংযোগ গুলো এখনও চালু রয়েছে তাও প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় অনেক লাইনই বিকল অবস্থায় পড়ে আছে।
এ ব্যাপারে তাড়াশ সদরের টেলিফোন গ্রাহক আবুল হোসেন বলেন, টেলিফোন লাইন বিকল হলে অভিযোগ করেও সময় মতো ঠিক করে দেয় না। তাছাড়াও নির্দিষ্ট সময় বিলের কপি না পাওয়ায় জড়িমানা সহ বিল দিতে হয়। এ সব কারণে আমি আমার সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করেছি।
তাড়াশ টেলিফোন এক্সচেঞ্জের সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, মোবাইল ফোন আসার ফলে টেলিফোন গ্রাহক দিন দিন কমে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবল না থাকায় গ্রাহক গণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকার বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।