সরকার গণতন্ত্র হত্যা করে একটি অন্ধকার বছর অতিক্রম করেছে :বিএনপি

সরকার গণতন্ত্র হত্যা করে একটি অন্ধকার বছর অতিক্রম করেছে :বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা ঃ 

বর্তমান সরকার গণতন্ত্র হত্যা করে একটি অন্ধকার বছর অতিক্রম করেছে। তাঁরা একে আওয়ামী জাহিলিয়াতের বছর বলে উল্লেখ করেন।আজ শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা- জাসাস আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক বেবী নাজনীন, জাসাস সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান।

সহ সভাপতি শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।প্রতিবছরের মতো এবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাসাস। গত বছরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। দুর্নীতির একটি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে খালেদা জিয়া কারাগারে থাকায় গতকালের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরী করা হয়। এতে দলীয় সঙ্গীত, গম্ভীরা সংঙ্গীত, নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয়। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের একটি গীতিনাট্যও পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘গত বছর ছিল আওয়ামী লীগের পরিচালনায় একটি অন্ধকার বছর। এই অন্ধকার বছরের নাম আওয়ামী জাহিলিয়াতের যুগ।’ বিএনপির এই নেতা বলেন, বর্তমান সরকারের কর্মকান্ডের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বৈরাচারি তকমা নিয়ে আসতে হয়েছে। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত কলঙ্কের।বিগত বছর গৌরভের নয় দাবি করে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ব্যাংক ও শেয়ার বাজার লুট হয়েছে, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে সাধারণ মানুষ বিপর্যস্থ জীবন অতিক্রম করেছে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, বলা হচ্ছে আমরা উন্নয়নশীল হয়েছি কিন্তু সাধারণ মানুষের অবস্থা দুর্বিষহ। উন্নয়ন যদি হয়ে থাকে তাহলে আওয়ামী লীগের নেতাদের হয়েছে। আওয়ামী ঘরোনার ব্যবসায়ীদের হয়েছে।’নতুন বছরে অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মোশাররফ হোসেন বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হবে। আগামী বছর হোক স্বৈরাচারের গ্লানি মোচন করে গণতন্ত্রের বছর। জনগণের বিজয়ের বছর।